মাফরুদুর রহমান মুরাদ জেলা স্টাফ রিপোর্টার পাবনা।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ ৮ অক্টোবর ২০২৬, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘বি-টু’ (Stage B2) লাইসেন্স বা অনুমোদন প্রদান করেছে।
এর মাধ্যমে কেন্দ্রটির চুল্লিতে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন প্রক্রিয়া শুরু করে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে তাপ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সব প্রশাসনিক বাধা কেটে গেল।
প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ব্যবস্থার সেফটি ভালভের যান্ত্রিক জটিলতার কারণে এতদিন এই লাইসেন্সটি আটকে ছিল। সম্প্রতি রাশিয়ান বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় সফল নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর বায়েরা এই লাইসেন্স ইস্যু করে।
এখন রিয়্যাক্টরে ধাপে ধাপে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হবে, যা সম্পন্ন হতে ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে।
প্রাথমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর রিয়্যাক্টরের ক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে যখন ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে, তখন পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করা হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা, সব ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ নাগাদ এই বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।
পরীক্ষামূলক উৎপাদন সফল হলে প্রথম ইউনিট থেকে পর্যায়ক্রমে পূর্ণ সক্ষমতার ১,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
পরীক্ষামূলক উৎপাদন সফল হলে প্রথম ইউনিট থেকে পর্যায়ক্রমে পূর্ণ সক্ষমতার ১,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বাংলাদেশ।