সাভার-আশুলিয়া প্রতিনিধি:
মো. বাবুল হোসেন
ঢাকার আশুলিয়া বটতলা এলাকার গফুর মন্ডল স্কুলসংলগ্ন একটি কসাইখানায় গরুর মাংসের ওজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এক ক্রেতা। তাঁর দাবি, ৪ কেজি গরুর মাংসের মূল্য পরিশোধ করার পর ডিজিটাল ওজনযন্ত্রে মাংসের ওজন পাওয়া যায় ৩.৬২৯ কেজি। অর্থাৎ নির্ধারিত ওজনের তুলনায় প্রায় ৩৭১ গ্রাম মাংস কম রয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আশুলিয়া বটতলা, গফুর মন্ডল স্কুলসংলগ্ন ওই কসাইখানা থেকে তিনি গরুর মাংস কেনেন। পরে ওজন নিয়ে সন্দেহ হলে ডিজিটাল ওজনযন্ত্রে মাংসটি পুনরায় পরীক্ষা করা হয়। তখন ওজন পাওয়া যায় ৩.৬২৯ কেজি।
বর্তমানে বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে ৩৭১ গ্রাম মাংসের মূল্য প্রায় ২৭৮ থেকে ২৯৭ টাকা। ৪ কেজি মাংসের মূল্য পরিশোধের পর নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম মাংস পাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী বলেন, আমি নিজেই এই ঘটনার ভুক্তভোগী। ৪ কেজি মাংসের মূল্য পরিশোধ করার পর যদি ৩৭১ গ্রাম মাংস কম পাই, তাহলে সাধারণ ক্রেতারা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা প্রয়োজন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই কসাইখানায় মো. সাইদুল ইসলাম ও আকবর হোসেন গরু জবাই ও মাংস কাটার কাজে যুক্ত রয়েছেন। কসাইখানাটির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কি না এবং ব্যবহৃত ওজনযন্ত্রটি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না—এসব বিষয় যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা বলেন, কীভাবে কী হলো, আমরা বলতে পারছি না।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনাটি যথাযথভাবে যাচাই করে কসাইখানাটির বৈধতা, ওজনযন্ত্রের নির্ভুলতা এবং মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে সঠিক ওজন নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।