জামাল হোসাইন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কৃতী সন্তান হাফেজ নাজমুস সাকিব কাতারে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৪০টি দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।
তার এই সাফল্যে বিশ্বমঞ্চে পবিত্র কুরআনের আলো ছড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাও উজ্জ্বল হয়েছে। নাজমুস সাকিব উপজেলার ৮নং আশারকান্দি ইউনিয়নের বাসিন্দা। সে আশারকান্দি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নাসিম হোসেনের ভাগ্নে।
আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় নাজমুস সাকিবের গৌরবময় অর্জনের খবরে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, নিজ ইউনিয়নসহ পুরো জগন্নাথপুর উপজেলায় আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসের মাটিতে কুরআন তিলাওয়াত ও হিফজের মাধ্যমে দেশের সুনাম অর্জন করায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ভাগ্নের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করে আশারকান্দি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নাসিম হোসেন বলেন,আলহামদুলিল্লাহ। বিশ্বমঞ্চে পবিত্র কুরআনের আলো ছড়ানো নাজমুস সাকিব আমাদের পুরো পরিবারের অহংকার। তার এই গৌরবময় অর্জন আমাদের বুক গর্বে ভরিয়ে দিয়েছে। মহান আল্লাহ তাকে পবিত্র কুরআনের খাঁটি খাদেম হিসেবে কবুল করুন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা দান করুন।
তিনি আরও বলেন,দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সবার কাছে আমার স্নেহের ভাগ্নের জন্য দোয়া কামনা করছি।
নাজমুস সাকিবের এই অর্জনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনেকে। জগন্নাথপুরবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের মাধ্যমে নাজমুস সাকিব দেশ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করবে এবং পবিত্র কুরআনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখবে।