দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু রবিউল জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত। অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও হার্টের অস্ত্রোপচার করাতে পারছেন না তার অসহায় বাবা উবায়দুল রহমান। ছেলেকে বাঁচাতে নিজের সর্বস্ব ব্যয় করেও প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে না পেরে এখন সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আকুতি জানিয়েছেন তিনি।
রবিউল ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী। যে বয়সে সহপাঠীদের সঙ্গে স্কুলে যাওয়া, খেলাধুলা আর আনন্দে মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই জন্মগত হৃদরোগে তার স্বাভাবিক জীবন থমকে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিউলের উন্নত চিকিৎসা ও হার্টের অস্ত্রোপচারের জন্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা প্রয়োজন।
রবিউলের বাবা উবায়দুল রহমান ভাটিপাড়া বাজারে চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই সামান্য আয় দিয়ে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ চার সদস্যের সংসার চালানোই তাঁর জন্য কঠিন। এর মধ্যে ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিজের সর্বস্ব ব্যয় করেছেন তিনি। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে এখন ছেলের চিকিৎসা করানো নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁর।
অসহায় বাবা উবায়দুল রহমান বলেন, “ভাটিপাড়া বাজারে চা বিক্রি করে কোনোরকমে সংসার চালাই। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে আমার সংসার। ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সবকিছু শেষ করেছি। এখন অপারেশনের টাকা জোগাড় করার কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনারা আমার ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।”
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিউল একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মানুষের সহযোগিতা পেলে সে আবারও সুস্থ হয়ে বিদ্যালয়ে ফিরতে পারবে—এমন আশায় দিন গুনছে তার পরিবার।
একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী, দানশীল মানুষ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতি রবিউলের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সামর্থ্য অনুযায়ী সবার সামান্য সহযোগিতাও তার চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
নাম: উবায়দুল রহমান
গ্রাম: ভাটিপাড়া, উপজেলা: দিরাই, জেলা: সুনামগঞ্জ
বিকাশ নম্বর: ০১৭৫৩৬১০৯৯৪ মানবিক সহায়তাই হতে পারে ছোট্ট রবিউলের নতুন জীবনের আশার আলো। আসুন, অর্থের অভাবে যেন তার চিকিৎসা থেমে না যায়, সে জন্য সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই।